২০১৮ সালে একটি ছোট্ট দলের স্বপ্ন থেকে শুরু হয়েছিল Bigwin-এর যাত্রা। আজ আমরা বাংলাদেশের ৫০ লাখের বেশি মানুষের বিনোদনের সঙ্গী। আমাদের লক্ষ্য একটাই — নিরাপদ, সৎ ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।
Bigwin-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে আছে কিছু মূলনীতি যা আমরা কখনো আপস করিনি।
লাখো মানুষ কেন বারবার Bigwin-এ ফিরে আসেন — তার পেছনে আছে এই ছয়টি মূল শক্তি।
২০১৮ সাল। বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং তখনও খুব পরিচিত ছিল না। যে কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম পাওয়া যেত, তাদের বেশিরভাগই বাংলায় কথা বলত না, বিকাশে পেমেন্ট নিত না, আর সমস্যা হলে সাহায্য পাওয়া যেত না। একদল তরুণ উদ্যোক্তা ভাবলেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম দরকার যেটা সত্যিকার অর্থে তাদের নিজের।
সেই ভাবনা থেকেই জন্ম হলো Bigwin-এর। প্রথম দিনে মাত্র ৫০০ জন সদস্য ছিলেন। কিন্তু বিশ্বাসযোগ্যতা ও সততার জোরে খুব দ্রুত মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ল Bigwin-এর নাম। ২০১৯ সালে বিকাশ পেমেন্ট যুক্ত হলো — এটা ছিল গেম চেঞ্জার। রংপুরের কৃষক থেকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী — সবাই এখন ঘরে বসে Bigwin-এ খেলতে পারেন।
২০২০ সালে মহামারির মধ্যে যখন মানুষ ঘরবন্দি, তখন Bigwin হয়ে উঠেছিল লাখো পরিবারের বিনোদনের সঙ্গী। সেই বছরেই সদস্য সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেল। আমরা তখন আরও বেশি লাইভ গেম, আরও বেশি পেমেন্ট অপশন এবং ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট চালু করলাম।
২০২২ সালে Evolution Gaming-এর সাথে পার্টনারশিপে লাইভ ক্যাসিনো চালু হলো। এই একটি সিদ্ধান্ত Bigwin-কে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেল। বাড়িতে বসে বাস্তব ডিলারের সাথে বাকারা বা রুলেট খেলার সুযোগ — এটা বাংলাদেশে আগে কেউ দেয়নি। সদস্যরা এতটাই খুশি হলেন যে মুখে মুখে Bigwin-এর প্রচার ছড়িয়ে পড়ল সারাদেশে।
আজ ২০২৬ সালে Bigwin পরিবারে আছেন ৫০ লাখের বেশি মানুষ। ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে কক্সবাজার-রাঙামাটি পর্যন্ত বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় আমাদের সদস্যরা আছেন। প্রতিদিন গড়ে কোটি টাকার পুরস্কার বিতরণ হচ্ছে Bigwin-এ।
কিন্তু সংখ্যার চেয়েও বড় কথা হলো বিশ্বাস। একজন সদস্য যখন বলেন "ভাই, Bigwin আমার টাকা মেরে দেয়নি, পুরস্কার পাওয়ার পর বিকাশে চলে এসেছে" — সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। এই বিশ্বাস অর্জন করতে সাত বছর লেগেছে, আর এটাকে ধরে রাখতে আমরা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছি।
Bigwin বিশ্বাস করে যে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের মাধ্যম, আসক্তির নয়। তাই আমরা প্রতিটি সদস্যকে তাদের নিজের সীমা নির্ধারণ করার সুযোগ দিই। দৈনিক ডিপোজিট লিমিট সেট করুন, খেলার সময় নির্ধারণ করুন, বা প্রয়োজনে অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখুন। আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং পেজে বিস্তারিত পাবেন।
এছাড়া Bigwin-এ ১৮ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ নেই। KYC যাচাই বাধ্যতামূলক, যাতে প্রতিটি সদস্য তার প্রকৃত পরিচয়ে খেলতে পারেন এবং কেউ অন্যের পরিচয় ব্যবহার করতে না পারে। আমরা চাই মানুষ আনন্দ নিয়ে আসুক, আনন্দ নিয়েই যাক।
ছোট্ট একটি স্বপ্ন থেকে কীভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গেমিং প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠলাম — সেই গল্পের সংক্ষিপ্ত রূপ।
একটি নিবেদিতপ্রাণ দল যারা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে।
সদস্যদের বিশ্বাস ও শিল্পের স্বীকৃতি — উভয়ই আমাদের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা।